জেলার করোনা আক্রান্ত ছয়টি থানার খবর:
ভূঞাপুর
ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রবিবার সকালে নয় জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। এর মধ্যে তিন জনের করোনা শনাক্ত হয়। আক্রান্ত তিন জন উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের সাফলকুড়া ও জিগাতলা গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় ওই দুটি গ্রাম লকডাউন ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
মধুপুর
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রবিবার সকালে নয় জনের নমুনা ঢাকায় পাঠনো হয়। এর মধ্যে একজনের করোনা শনাক্ত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের গুবদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এরপর ওই গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে।
নাগরপুর
নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গত শনিবার আট জনের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে এক জনের করোনা শনাক্ত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তি উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। ওই এলাকা লকডাউন করা হয়েছে।
ঘাটাইল
ঘাটাইল উপজেলার ঘোনারদেউলী গ্রামের এক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি গাজীপুরের একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। তিনি জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হলে ঢাকায় আইইডিসিআরে তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরপর শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে আইইডিসিআর থেকে সেই ব্যক্তির নাম-ঠিকানা আর মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়া হলে তার সন্ধানে নামে উপজেলা প্রশাসন। ওই ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জেনে মোবাইল বন্ধ করে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তাকে খুঁজে বের করে ঢাকায় পাঠানো হয়। এরপর ওই গ্রামটি লকডাউন করে উপজেলা প্রশাসন।
মির্জাপুর
মির্জাপুরে নারায়ণগঞ্জ ফেরত এক ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জেলায় প্রথম ওই ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। আক্রান্ত ওই ব্যক্তি উপজেলার ভাওড়া গ্রামের বাসিন্দা। ওই গ্রামটি লকডাউন করে স্থানীয় প্রশাসন।
গোপালপুর
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত এক ফার্মাসিস্ট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সম্প্রতি তিনি তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আসায় গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গ্রামটি লকডাউন করে উপজেলা প্রশাসন। এছাড়াও তার শ্বশুরবাড়ি মধুপুর উপজেলার বাসুদেব গ্রামের আফজাল হোসেনের বাড়িটিও লকডাউন করা হয়। তিনি গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের গোহাত্রা গ্রামের এক স্কুল শিক্ষকের ছেলে। ওই ফার্মাসিস্ট বেশ কয়েকদিন ধরে সর্দিজ্বর ও কাশিতে ভুগছিলেন। এতে সন্দেহ দেখা দিলে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার নমুনা সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরীক্ষা শেষে তার কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়ে। এ ঘটনায় জামালপুর জেলা লকডাউন ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেলাও লকডাউন।