করোনা রোগীর চিকিৎসা দিয়ে তথ্য গোপন, নোয়াখালীর প্রাইম হসপিটাল লকডাউন

নোয়াখালীর প্রাইম হাসপাতাল (ফাইল ছবি)গত ৯ এপ্রিল ইটালি প্রবাসী ও নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের এক বাসিন্দা (৪৫) করোনায় মারা যান। এরআগে, তিনি প্রাইম হসপিটালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। তবে প্রাইম হসপিটাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানায়নি। এ অবস্থায় জনগণের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালটি লকডাউন করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা থেকে পরবর্তী ১৪ দিন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মোমিনুর রহমান।

তিনি জানান, ইটালি প্রবাসী ব্যক্তি গত ৫ এপ্রিল প্রাইম হসপিটালের ৫০৪ নম্বর কক্ষে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তীতে গত ৮ এপ্রিল তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৯ এপ্রিল ভোরে ঢাকা নেওয়ার পথে ওই প্রবাসীর মৃত্যু হয়। পরে, ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে মৃতের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। শনিবার পরীক্ষার রিপোর্টে ওই প্রবাসীর করোনা পজেটিভ আসে।

তিনি আরও বলেন, প্রাইম হসপিটাল কর্তৃপক্ষ রোগীর নমুনা সংগ্রহ করার জন্য সিভিল সার্জন অফিসে না জানিয়ে তথ্য গোপন করে। তাই জনগণ ও ভর্তি অন্য রোগীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে প্রাইম হসপিটালকে ১৪ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ খালি করে জীবানুমুক্ত করে সব চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এ ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।