অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ এপ্রিল বকশীগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এলবাট মিয়া তার ঝালরচর গ্রামের নিজ বাড়িতে কর্মহীন ও দুস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। সে সময় ঝালরচর পশ্চিম পাড়া গ্রামের আ. রউফ, হুমায়ুন মিয়া, রাশেদা বেগম, আবদুল লতিফসহ কয়েকজন চেয়ারম্যানের কাছে ত্রাণ চান। তবে ত্রাণের তালিকায় নাম থাকলেও তাদের ত্রাণ দেননি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এলবাট মিয়া। ত্রাণ চাওয়ায় উল্টো চেয়ারম্যান এলবাট মিয়া ও তার সহযোগী খোরশেদ আলম মিলে ত্রাণপ্রার্থী হুমায়ুন মিয়াকে সবার সামনে মারধর করেন। অভিযোগ উঠেছে, হুমায়ুন ও আ. রউফদের মতো ঝালরচর পশ্চিম পাড়া গ্রামের ২৪ জনের নামে ভুয়া তালিকা তৈরি করে ত্রাণের চাল গায়েব করা হয়েছে। তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের কারও স্বাক্ষর বা টিপসই নেওয়া হয়নি।
ঝালরচর পশ্চিম পাড়া গ্রামের ত্রাণ বঞ্চিতরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানালে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। ঝালরচর পশ্চিম পাড়া গ্রামের হুমায়ুন মিয়া জানান, তালিকায় তার নাম থাকলেও (সিরিয়াল নং ২৪৫) ভুয়া টিপসই দিয়ে তার নামের চাল গায়েব করা হয়েছে। অথচ তিনি স্বাক্ষর দিতে জানেন বলে জানান হুমায়ুন মিয়া। এভাবে ২৪ জনের ভুয়া টিপসই দিয়ে চাল গায়েব করেছেন এলবাট মিয়া।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ও মারধর করার বিচার দাবি করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাসান মাহবুব খানের কাছে সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ত্রাণ না পাওয়া ঝালরচর পশ্চিম পাড়া গ্রামের ত্রাণ বঞ্চিতরা। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এলবাট মিয়া তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাসান খান জানান, ইউএনও স্যারের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।