তিনি জানান, করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন নারী চিকিৎসকের স্বামী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ওই ব্যক্তি হাসপাতালে বেশ কয়েকবার গিয়েছিলেন। তার করোনা ধরা পড়ায় হাসপাতালের ইউএইচওসহ ১৪ চিকিৎসক সবাইকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ১৪ জনের মধ্যে ৯ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুই জনের পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর হাসপাতাল লকডাউনের সিদ্ধান্ত হয়। সোমবার রাতেই হাসপাতালের ভর্তি রোগীদের ছুটি দিয়ে জরুরি বিভাগসহ সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, জেলার মধ্যে করিমগঞ্জ উপজেলায় সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ উপজেলায় মোট রোগী শনাক্ত হয়েছেন ছয় জন। হাসপাতালের আরও পাঁচ জন চিকিৎসকের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। ওই রিপোর্ট পাওয়ার পর হাসপাতালের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে দুই চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হওয়ায় হাসপাতালে কর্মরত অন্য কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নার্সদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের অনেকেই দুই চিকিৎসকের সংস্পর্শে গিয়েছিলেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ হাসপাতালের সবার নমুনা পরীক্ষা প্রয়োজন।
এরআগে, ঢাকা ফেরত এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর মৃত্যুর পর নমুনা পরীক্ষায় ওই ব্যবসায়ী এবং তার স্ত্রী, মা ও ভাইয়ের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। এতে শনিবার রাতে উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়।