উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. মেহেদি হাসান জানান, গত সোমবার সকালে উপজেলার দারোরা ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বিতরণকৃত ১০ টাকা মূল্যের চাল তদারকি করতে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা। তখন ১৩টি কার্ডের চাল বিতরণে অনিয়ম ধরা পড়ে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওই কার্ডের বিপরীতে গত ২০১৮-১৯ সালের বিতরণকৃত চালের মাস্টার রোল ও তথ্যে গরমিল পান। পরে তদন্ত করে দেখা যায়, ওই ১৩টি কার্ডের ৩৯০ কেজি চাল বিতরণে অনিয়ম করা হয়েছে।
এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাসের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদে এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিধি অনুযায়ী ওই ছাত্রলীগ নেতাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ডিলারশিপ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাস জানান, চাল বিতরণের অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তার ডিলারশিপ বাতিলসহ জরিমানা করা হয়েছে।