মো. মাঈনুল ইসলাম আরও জানান, করোনা সংক্রমিত ওই নারী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাকে তার বোনের বাড়ির একটি খালি ঘরে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। সেখানে গাইনি চিকিৎসক ফারজানা আক্তার তার দেখাশোনা করছেন। তাকে প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং উন্নত খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে তাকে জেলা করোনা ইউনিটে স্থানান্তর করা হবে।
তিনি বলেন, ‘ওই প্রবাসীর পরিবারের ১৩ জন সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮ জনের ফলাফল হাতে এসেছে। তাদের মধ্যে প্রবাসীর স্ত্রী ছাড়া বাকিদের করোনা শনাক্ত হয়নি। এছাড়া বাকি ১৬ জনের নমুনা পরীক্ষা পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’
এদিকে, জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোমিনুর রহমান জানান, জেলায় হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৪১১ জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ১৭ জন।
উল্লেখ্য, ইতালি প্রবাসী মোরশেদ আলম গত ৫ এপ্রিল প্রাইম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ৮ এপ্রিল তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর ৯ এপ্রিল ভোরে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে মৃতের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হয়। নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।