এ ব্যাপারে ইউএনও জানান, রবিবার প্রতারক চক্রটি ক্লোন করে তার নম্বর থেকে উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান বানেছা বেগম এবং কাঁঠালবাড়িয়া শহীদ আবুল কাশেম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ আবদুল কাদেরের কাছে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে চাঁদা দাবি করে। বিষয়টিতে তাদের সন্দেহ হলে ঘটনাটি তাকে জানালে তিনি নম্বরটি ক্লোন করা হয়েছে বুঝতে পারেন। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ব্যবহৃত সরকারি নম্বরটি ক্লোন করা হয়েছে মর্মে ‘সতর্কীকরণ’ পোস্ট দেন। এছাড়াও ওই ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান বানেছা বেগম বলেন, ‘ইউএনও স্যারের নম্বর থেকে ফোন দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। পরে আমি অফিসে দেখা করার কথা বলে ফোন কেটে দিই। এ সময় প্রতারকরা আমাকে বার বার ফোন দিতে থাকে। তারপর স্যারের নম্বরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখি একটি শূন্য ডিজিট নেই। তাৎক্ষণিক বিষয়টি আমি ইউএনও স্যারকে অবহিত করি।’
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খুরশিদা বানু কনা বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। শনাক্তের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’