ওই গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বজলুর রহমান গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সর্দি-জ্বর ও শ্বাসকষ্ট সমস্যায় ভুগছিলেন। তার চিকিৎসা চলছিল বলে পরিবার জানিয়েছে।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোবায়েত বলেন, ‘নিহতের বাড়িতে গিয়ে তার দু’দিনের অসুস্থতার কথা জানা গেছে। সন্দেহ দূর করতে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল হাসান বলেন, ‘করোনা সন্দেহে বিশেষ ব্যবস্থায় তার লাশ দাফন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের বাড়িটিসহ আশপাশের পাঁচটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।’