ফেনী ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীল জানান, ডায়াবেটিক হাসপাতালে চিকিৎসক-নার্সসহ প্রয়োজনীয় জনবলসহ পর্যাপ্ত সুবিধা রয়েছে। সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে ১০ দিনের মধ্যে আইসিইউ এখানে স্থাপন সম্ভব হবে। এমন দুর্যোগ সময়ে করোনা রোগীদের সেবায় এটি কাজে লাগবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন ।
আইসিইউ স্থাপনে সহায়তা দেওয়া আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদেও আইসিইউ স্থাপন না হওয়ার বিষয়টি আমাদের হতাশ করেছে। তিনি বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদকে (স্বাচীপ) শুধু ডাক্তারদের নিয়োগ-বদলি নিয়ে ব্যস্ত না থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের অনিয়ম-দুর্ণীতির বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফেনী ছাড়াও পাশের কুমিল্লা ও নোয়াখালীতেও হাসপাতালে নেই আইসিইউ ব্যবস্থা। ফলে বর্তমান সময়ে মহামারি করোনা আক্রান্ত কোনও মুমূর্ষু রোগীকে চিকিৎসা দিতে ঢাকায় পাঠানো ছাড়া, কোনও উপায় নেই।
তবে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় ফেনী ট্রমা সেন্টারে ৩০ ও সোনাগাজীর মঙ্গলকান্দি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ২০ শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ৩০ শয্যা, ফেনী ডায়াবেটিস হাসপাতালে ৫ শয্যা ও জেলা সদর ছাড়াও অপর ৫ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫টি করে শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে।