মৃত ব্যক্তির জানাজায় অংশ নেওয়া দাঁড়িয়াল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমএ জব্বার বাবুল বলেন, নারায়ণগঞ্জ থাকাবস্থায় মৃত ব্যক্তির করোনার লক্ষণ দেখা দেয়। পরে তাকে সেখানকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ১৯ এপ্রিল তার দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়, পরে ভয়ে হাসপাতাল থেকে তিনি পালিয়ে আসেন। ওই রাতেই ভাড়া বাসায় তার মৃত্যু হয়। পরে ওই ব্যক্তির স্বজন ও এলাকাবাসী অ্যাম্বুলেন্সযোগে তার মরদেহ বাকেরগঞ্জে পাঠিয়ে দেয়। রবিবার রাতে তার মরদেহ এসে পৌঁছায়। পরে ওই ব্যক্তির স্বজনরা তার জানাজা ও দাফনে অনীহা প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় তার জানাজা ও দাফনে এগিয়ে আসে দাঁড়িয়াল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ। ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ হাওলাদারের নেতৃত্বে চার কর্মী পিপিই পরে তার গোসল থেকে শুরু করে জানাজা সম্পন্ন করেন। জানাজায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ মৃত ব্যক্তির এক ভাই উপস্থিত ছিলেন। পরে পারিবারিক গোরস্থানে ছাত্রলীগ কর্মীরা তাকে দাফন করেন।
কোয়ারেন্টিনে থাকা ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ হাওলাদার বলেন, করোনাভাইরাসে কারও মৃত্যু হলে তাদের জানাজা ও দাফন কেউ না করলে, আমরা করবো বলে ঘোষণা দিয়েছিলাম। এরপর থেকে আমরা তাদের জানাজা ও দাফনে প্রস্তুত থাকি। দাঁড়িয়াল ইউনিয়নে ওই মৃত ব্যক্তির লাশ পৌঁছানোর পর স্বজনদের তা গ্রহণে অনীহা দেখে আমরা এগিয়ে যাই। পরে তার জানাজা ও দাফনের সব ব্যবস্থা করে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে চলে আসি। নিজেদের এমন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।