এরা হলেন রূপসা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের গোলাম খানের ছেলে নুরুজ্জামান খান (৪৩) ও মহানগরীর লবণচরা এলাকার বাসিন্দা ফেরদৌসি আরা (৭০) ।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিক্যাল অফিসার ডা. আশরাফুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে নুরুজ্জামান খানকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। তিনি হাসপাতালে আসার আগেই মারা গেছেন। তার জ্বর-সর্দি-কাশিসহ করোনার উপসর্গ ছিল। মৃত্যুর পর তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
মৃতের স্বজনরা জানান, নুরুজ্জামান খান গত পাঁচ দিন ধরে জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। তিনি মোবাইল সার্ভিসিং ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্ট আইসোলেশনের মুখপাত্র ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে ফেরদৌসি আরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গত ১৪ এপ্রিল থেকে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি যক্ষ্মায় আক্রান্ত ছিলেন। তার শ্বাসকষ্টও ছিল। সে কারণে মৃত্যুর পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, খুলনায় এ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের মৃত্যু হলো। এখন পর্যন্ত খুলনায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন চার জন। এর মধ্যে তিন জন চিকিৎসক রয়েছেন। করোনা আক্রান্ত দুই চিকিৎসককে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আর একজন চিকিৎসককে খুলনার ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে রয়েছেন। আর একজনকে নিজ বাড়িতে রাখা হয়েছে। এছাড়াও ৯ জন চিকিৎসককে খুলনার মিলেনিয়াম হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।