শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সদরে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'করোনাভাইরাসের কারণে কিছু মানুষ এখন নতুনভাবে সংকটের মধ্যে পড়েছে। শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদের প্রতিদিন ইনকাম ছিল, এখন কিন্তু ইনকাম নেই। আবার সবাই কিন্তু ত্রাণ চাইতে পারে না, নিজেদের সমস্যার কথা মুখ ফুটে বলছেন না। নিজেদের বিবেচনায় যারা চাইতে পারেন না, তাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবার যারা ভালো মতো চাইতে পারেন, দেখা যাচ্ছে সে সবার কাছ থেকে নিচ্ছেন; এটা যাতে না হয়। পুরো বিষয়টার মধ্যে একটা সমন্বয় হওয়া প্রয়োজন।'
তিনি আরও বলেন, 'আমাদের দল যেহেতু সরকারি দল, সেহেতু আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। সরকারি দল হিসেবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা শুরু থেকেই পালন করছে। আজকে একটি মাস দেশের সবকিছু বন্ধ। তারপরও আল্লাহর রহমত ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োচিত পদক্ষেপের কারণে এখন পর্যন্ত একজন মানুষও না খেয়ে মৃত্যুবরণ করেনি। সুতরাং কেউ যেন না খেয়ে না থাকে, সেদিকে আমাদের দৃষ্টিপাত করতে হবে।'
কারও সর্দি-কাশি হলেই তাকে করোনা রোগী সন্দেহ করা সঠিক নয় জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, 'সর্দি-কাশি তো আমাদের সবসময়ই হয়ে থাকে। প্রত্যেক মানুষেরই হয়। এখন সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য দেখা যাচ্ছে, কারও সর্দি-কাশি হলো, তার সঙ্গে যার বিরোধ আছে সে করোনা রোগী হিসেবে তার তথ্য ছড়াচ্ছে। এসব ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকেও সবার খেয়াল রাখতে হবে।'
উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল মোনাফ সিকদারের সভাপতিত্বে সভায় রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র মো. শাহজাহান সিকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, পৌরসভা আ. লীগ সভাপতি মো. আসলাম খাঁন, জেলা আ. লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন আ. লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হারুন, দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়ন আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার।