আহত সুমন উপজেলা শহরের ওই এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সুমনকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকায় করোনা ভাইরাসে অন্য এলাকার লোক যাতে আসতে না পারে সেজন্য বাঁশের বেড়া দেন একই মহল্লার মো. সিদ্দিক আলী। এতে বাধা দেন পাশের বাড়ির আমির উদ্দিন, আব্দুর রহমান, ফিরোজ, রাকিবসহ অনেকে। এক পর্যায়ে বাঁশের বেড়া ভেঙে ফেলেন তারা। এ ঘটনায় হাতাহাতির সময় ফিরোজা বেগম নামের একজনের হাতও ভেঙে যায়।
আব্দুর রহমানরা সিদ্দিকের পরিবারকে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেয়। পরে তারা এলাকার ৫০/৬০ জন মিলে সিদ্দিকের বাসায় হামলা চালায়। এতে সিদ্দিকরা ভয়ে বাসার দরজা বন্ধ করে দেয়। ঘটনা শুনে সিদ্দিকের জামাতা আশিকুজ্জামান সুমন ঘটনাস্থলে এলে বখাটেরা তাকে চাকু দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।
এ সময় সুমন কোনও রকম জীবন বাঁচাতে পাশের দোকানে ঢুকলে সেখানেও তাকে আঘাত করা হয়। সুমন গুরুতর আহতাবস্থায় মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওযা হয়।
এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান সৈয়দপুর থানার ওসি আবুল হাসনাত খান।