জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বলেন, নড়াইল জেলায় করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সিভিল সার্জনের সুপারিশের আলোকে সংক্রমণ রোগ (প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন মোতাবেক নড়াইল জেলাকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হলো। লকডাউন চলাকালীন এ জেলায় জনসাধারণের আগমন ও বহির্গমন নিষিদ্ধ থাকবে। জেলার ভেতরে এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায়ও যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিত যানবাহন লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে। লকডাউনের আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নড়াইল সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে,সোমবার (২৭ এপ্রিল) পর্যন্ত নড়াইলে সাত জন ডাক্তারসহ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩। এর মধ্যে নড়াইল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের দুই চিকিৎসক, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একজন চিকিৎসক এবং লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চার চিকিৎসক রয়েছেন। এছাড়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক কর্মচারী, লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দাঁতের টেকনিশিয়ান, এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত একজন নার্সের (সেবিকা) স্বামী,একজন স্টাফ ও লোহাগড়া পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
সিভিল সার্জন ডা. মো. আবদুল মোমেন জানান, করোনা আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা সবাই হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জেলার সর্বপ্রথম করোনা আক্রান্ত লোহাগড়া পৌরসভার পারছাতড়া গ্রামের সৈয়দ সুজন আলী (২৫) বর্তমানে সুস্থ আছেন।