ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান জানান, মৃত ব্যক্তি চট্টগ্রামের একটি ইট ভাটায় কাজ করতেন। গত ২৬ এপ্রিল তিনিসহ পাঁচ জন বাড়িতে ফেরেন। বাড়ি ফিরে তিনি কোয়ারেন্টিনে ছিলেন না। নিজের ইচ্ছামতো চলাফেরা করেছেন। এরই মধ্যে গলা ব্যথা, জ্বর ও পাতলা পায়খানাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেওয়ায় স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিতেন তিনি। এরপর মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে তিনি বাড়িতেই মারা যান।
তবে মৃতের ছেলের দাবি, তার বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। আর সর্দি-কাশি তার দীর্ঘদিনের রোগ।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. জয়ন্ত সরকার জানান, দেরিতে মৃত্যুর খবর পাওয়ায় নিহতের নমুনা সংগ্রহ করা যাইনি। তবে নিহতের স্ত্রী ও ছেলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরী জানান, মৃত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। বাড়িতে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে লাল পতাকা। আশপাশের কয়েকটি বাড়িকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।