ডা. শামসুন্নাহার জানান, ওয়ার্ড বয় করোনা আক্রান্ত হলেও ওই হাসপাতাল লকডাউন করা হচ্ছে না। তিনি যাদের সঙ্গে থেকে ডিউটি করেছেন সেই স্টাফদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হচ্ছে।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত এক স্বাস্থ্য সহকারী জানান, আক্রান্ত ওয়ার্ড বয় হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ সবার সংস্পর্শে এসেছিলেন। তার নমুনা সংগ্রহ করার পরও তিনি হাসপাতালে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন। স্বাস্থ্য সহকারী বলেন, ‘আমি নিজেও আতঙ্কিত। কারণ গত একদিন আগেও ওই ওয়ার্ড বয়সহ হাসপাতালে ডিউটি করেছি।'
তবে স্বাস্থ্য সহকারীর বক্তব্য সঠিক নয় জানিয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা হাসপাতালের কয়েকজন স্টাফের নমুনা সংগ্রহ করেছি। কিন্তু শুধুমাত্র ওই ওয়ার্ড বয় করোনা পজিটিভ হয়েছেন। তার ডায়াবেটিসসহ উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। তাকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।'
সিভিল সার্জন বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ড বয় করোনা পজিটিভ হলেও হাসপাতাল লকডাউন করা হচ্ছে না। তাকে আইসোলেশনে রেখে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।'
সিভিল সার্জন জানান, সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে দুই জন এবং ফুলবাড়ী ও নাগেশ্বরী উপজেলায় একজন করে মোট চার জন ব্যক্তি করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট ২২ জন করোনা পজিটিভ পাওয়া গেলো।