করোনা ভাইরাসের মহামারির কারণে মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনজন কয়েদিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
অবশ্য, কারা কর্তৃপক্ষ ১২০ বন্দিকে মুক্তির সুপারিশ করে।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাগার সূত্র জানায়, গত ২ মে থেকে আজ ৪ মে পর্যন্ত মোট তিনজনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শঙ্করপুর গ্রামের নূর বক্সের ছেলে নেছার আলী (৫৮), যশোর সদরের খোলাডাঙ্গা এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে বাবু (৫০) এবং শহরের পূর্ববারান্দিপাড়ার ফজলুল হকের ছেলে অহিদুল ইসলাম (৪৮)।
সূত্র জানায়, মুক্তিপ্রাপ্তরা সবাই লঘু অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত।
এর আগে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা জানিয়েছিলেন, প্রতিবছর সরকার বিশেষ ক্ষমার আওতায় সারাদেশের কারাগারে আটক কয়েদিদের নামের তালিকা তৈরি করে তাদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি বাস্তবায়ন করে থাকে। তবে, বর্তমানে সারাদেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সাজা বিবেচনায় নিয়ে ১২০ বন্দিকে মুক্তির সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ২০ বছর সাজাপূর্ণ করেছে এমন বন্দির সংখ্যা ৭৫ জন এবং এক বছর পর্যন্ত সাজাপ্রাপ্ত বন্দির সংখ্যা ৪২ জন এবং অসুস্থ ও অক্ষম বন্দির সংখ্যা ৩ জন।