বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার দাস বলেন, চৌমুহনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা গত ৮-১০ দিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার বেলা ১০টার দিকে তার নিজ বাড়িতে মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে, তার বাড়িতে স্বাস্থ্যকর্মী পাঠানো হলেও ৪ ঘণ্টা দেরি হয়ে যাওয়ায় নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। কারণ ৩ ঘন্টার বেশি দেরি হলে, ফলাফল ভালো আসে না। এ অবস্থায় বুধবার (৬ মে) সকালে তার সংস্পর্শে আসা পরিবারের ৫ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে বিআইটিআইডিতে পাঠানো হবে। তবে, তার ঘরটি লকডাউন করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমান বলেন, উপজেলার চিলাদি গ্রামের এক বাসিন্দা কয়েকদিন ধরে জ্বর ও কাশিতে ভুগছিলেন। আজ চিকিৎসা নেওয়ার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এরইমধ্যে বেলা ১১টার দিকে বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে, স্বাস্থ্যকর্মীরা গিয়ে ওই ব্যক্তি এবং তার পরিবারের তিন সদস্যসহ চার জনের নমুনা সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া, তার বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে। পরিবারের লোকজনকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। বুধবার সকালে তার পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজে (বিআইটিআইডি) পাঠানো হবে।
এরআগে, ৪ মে সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের এক নারী (৪০), ৩ মে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগমগঞ্জ চৌমুহনীর এক ব্যক্তি (৩৪), একই দিন ভোরে সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নে এক মাদ্রাসা ছাত্রী (১৪), এবং বুধবার (৩০ এপ্রিল) সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সদর উপজেলার করমুল্যা এলাকার এক কিশোরী (১৭) করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকিদের ও তাদের সংস্পর্শে আসা সবার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রামের বাংলাদেশ ইনস্ট্রিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজে (বিআইটিআইডি) পাঠানো হয়। তবে এখনও রিপোর্ট এসে পৌঁছেনি।