মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর দেড়টার দিকে শুরু হয় হালকা বাতাসের সঙ্গে ঝির ঝির বৃষ্টি। এ সময় বিদ্যুৎ চলে যায়। অবশেষে বার বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সে বিদ্যুতের দেখা মেলে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে।
এদিকে, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় নামাজ ও ইফতার তৈরিসহ রান্না-বান্নার কাজে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। জেলা শহরের জুম্মাপাড়া মহল্লার বাসিন্দা গৃহিণী নাজমা বেগম (৪২) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ইফতার তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম সে সময় বিদ্যুৎ চলে গেছে। রোজার শুরু থেকে কারণে-অকারণে বিদ্যুৎ যাচ্ছে।’
একই মহল্লার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘সেচ প্রকল্প, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকায় বিদ্যুতের চাহিদা কম। অথচ অহেতুক বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা কমছে না। করোনা পরিস্থিতিতে রোজা রমজানে বিদ্যুতের কারণে ঘরে থাকা মানুষ অতিষ্ঠ। বিদ্যুৎ বিভাগে ফোন করেও পাওয়া যায় না কোনও উত্তর। নির্বাহী প্রকৌশলী তো ফোনই ধরেন না। আমরা কবে যে এই দশা থেকে মুক্তি পাবো?’
নীলফামারী বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নওশাদ আলম জানান, ‘মঙ্গলবার দুপুরে ঝড়ের কারণে ৩৩ কেভি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। সেটি খুঁজে বের করতে সময় লেগেছে।’ বারবার বিদ্যুৎ যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যস্ততার কথা বলে মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মচারী জানান, দুপুর দেড়টা থেকে দুইটার মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট শুরু হলে বিকাল ৩টার দিকে ত্রুটি খুঁজতে বের হন তারা।