আক্রান্তরা হলেন কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টাফসহ পৌর এলাকার দুই জন নারী, জয়পুরহাট সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নে শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নেওয়া গার্মেন্টকর্মী এক যুবক ও আক্কেলপুর উপজেলার এক নারী গার্মেন্টকর্মী।
সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা জানান, কয়েকদিন আগে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নৈশপ্রহরী তার গার্মেন্টকর্মী বোন ও ভগ্নিপতির সংস্পর্শে এসে করোনায় আক্রান্ত হন। তারপর তার বাড়ির লোকজনসহ হাসপাতালের স্টাফদের নমুনা পাঠানো হয়। সেই নমুনা নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নৈশ্য প্রহরীর মা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাস্টাররোলে কাজ করা এক নারীর শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এছাড়া আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দিপুর ইউনিয়নের এক নারী গার্মেন্টকর্মী ও জয়পুরহাট সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নে আশ্রয় নেওয়া নওগাঁর ধামুরহাট থেকে আসা গার্মেন্টকর্মী এক যুবকের শরীরেও করোনার উপস্থিতি মিলেছে।
তিনি বলেন, বুধবার রাত ৮টায় ঢাকার আইইডিসিআর ও বগুড়ার শজিমেক পিসিআর ল্যাব থেকে পাওয়া ১৮১ জনের নমুনা রিপোর্টে তিন নারী সহ যে চার’জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে তাদের চিকিৎসার জন্য আক্কেলপুরের গোপীনাথপুর আইসোলেশন সেন্টারে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
অন্যদিকে করোনা আক্রান্তের খবর পেয়ে জয়পুরহাট সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নে শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নেওয়া গার্মেন্টকর্মী যুবক তার স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। স্বাস্থ্যকর্মীরা তাকে আইসোলেশনে নেওয়ার জন্য ওই গ্রামে গিয়ে তাকে খুঁজে না পেয়ে ফিরে এসেছে। জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহা. শাহরিয়ার খাঁন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।