বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাত ৯টার দিকে এ ঘূর্ণিঝড় হয়। খবর পেয়ে শুক্রবার (০৮ মে) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ও বাঘাব ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তরুণ মৃধা।
স্থানীয়রা জানান, রাতে উপজেলার বিরাজনগর, জয়মঙ্গল, শ্রীফুলিয়া, নাওহালা, মুরগীবের ও মোহাম্মদপুর এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ১০/১৫ মিনিট স্থায়ী এই ঘূর্ণিঝড় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এতে প্রায় ১০টি ঘর-বাড়ি ও বিপুল সংখ্যক গাছপালা ভেঙে পড়ে। পাশাপাশি আবাদী ফসল নষ্ট ও বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে ক্ষতির মুখে পড়েছেন এ এলাকার জনসাধারণ। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে লটকন ও কাঁঠাল বাগানের। বাগান জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পরে আছে প্রচুর লটকন ও কাঁঠাল। পাশাপাশি মৌসুমি ফলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।