পরে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্যকর্মীরা রাতে নিহতের নুমনা সংগ্রহ করেন।
নিহত নারী শ্রমিকের নাম দৈবকী উড়াং (৫৫)। তিনি ওই চা বাগানের সুরেশ উড়াংয়ের স্ত্রী।
মৃর্তিঙ্গা চা বাগানে ইউপি সদস্য ও চা শ্রমিক ইউনিযনের মনু-ধলই ভ্যালির কার্যকরী কমিটির সভাপতি ধনা বাউরী বলেন, ‘বিষয়টি প্রথমে নিহতের পরিবার কাউকে জানায়নি। পরে জানা যায় গত কয়েকদিন ধরে দৈবকী উড়াং জ্বর, সর্দি-কাশি ও মাথাব্যথায় ভুগছিলেন। শুক্রবার তিনি কোনও খাবার না খেয়ে বিকালে নিজ বসতঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ৯টায় আবার খাবারের জন্য ঘুম থেকে ডাকতে গিয়ে দেখা যায় বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন বৈবকী উড়াং। রাতেই কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অবহিত করলে একজন মেডিক্যাল অফিসারের নেতৃত্বে একটি দল মৃর্তিঙ্গা চা বাগানে গিয়ে নিহতের নমুনা সংগ্রহ করেন। এ ঘটনার পর থেকে মৃর্তিঙ্গা চা বাগানে সাধারণ চা শ্রমিকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।’
মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, নিহতের নমুনা সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। পরিবারের সবাইকে কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।