এর আগে গত ১০ মে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সামাজিক দূরত্বসহ বেশ কয়েকটি নির্দেশনা মেনে চলার শর্ত নিয়ে দোকান পাঠ খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু দোকানপাঠ খোলার সঙ্গে সঙ্গে ঈদের কেনাকাটা করার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে মানুষ। যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। কোনও প্রকার সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায় বুধবার দুপুরে জরুরি সভা করে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ও বাজার ব্যাবসায়ী সমিতি।
রাজবাড়ীর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম জানান, ‘রাজবাড়ীর বাজারে কোনোভাবেই মানুষের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমরা দোকান পাঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শুধু ওষুধ ও জরুরি পণ্যের দোকান খোলা থাকবে। এই আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে সংক্রমণ ও স্বাস্থ্যবিধি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’