এর আগে, করোনা উপসর্গ নিয়ে ওই পোশা শ্রমিক শনিবার (১৬ মে) সকালে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
ওই নারীর মা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সকালে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর আমরা যে ওয়ার্ডে ছিলাম, সেখানে একজন রোগীর মৃত্যু হয়। এতে আমার মেয়ে ভয় পেয়ে যায়। পরে আর সে হাসপাতালে থাকতে রাজি হয়নি। মাগরিবের পর তাকে রিকশায় করে বাসায় নেওয়ার সময় দেওয়ান হাট এলাকায় মাথা ঘুরে রিকশা থেকে পড়ে যায়। এরপর তাকে পিকআপে করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ডবলমুরিং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহির হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, দেওয়ানহাট মোড়ে একজন নারী পড়ে থাকার সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। পরিবারের লোকজন জানিয়েছে ওই নারী তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তিনি চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ওই নারীর স্বামী জানান, তাদের বাড়ি ময়মনসিংহে। ডবলমুরিং থানার পান্নাপাড়া ছোট মসজিদ এলাকায় তারা থাকতেন। কিছু সমস্যা ও ঝগড়ার কারণে সম্প্রতি তার স্ত্রী মা ও আড়াই বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে ফ্রিপোর্ট এলাকায় বসবাস শুরু করেন। তিন দিন আগে গার্মেন্টস থেকে ফিরে তার স্ত্রী জ্বরে পড়ে। পরে শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে শনিবার (১৬ মে) সকালে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়।