লকডাউন চলাকালীন, এই দুই উপজেলা থেকে কোনও মানুষ অন্য উপজেলায় যাতায়াত করতে পারবে না। আভ্যন্তরীণ সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকবে। তবে খাদ্য, ডাক ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহকারী যানবাহন, চিকিৎসক, পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের বহনকারী যানবাহন চলবে। এছাড়া মুদি দোকান সপ্তাহে দুই দিন রবিবার ও বৃহস্পতিবার এবং কাঁচা বাজার সপ্তাহে তিন দিন রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকাবে। কাঁচা বাজারের জন্য নির্ধারিত স্থান করে দেওয়া হবে।
ফার্মেসি খোলা থাকবে জোনভিত্তিক। ফার্মেসি কোন কোন এলাকায় কয়দিন করে খোলা থাকবে তা পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয় গণবিজ্ঞপ্তিতে।
জেলায় সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে করোনা প্রতিরোধ কমিটির বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক প্রশাসক তন্ময় দাস এর সভাপতিত্বে সভা চলাকালীন সময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরণ, জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন, সিভিল সার্জন ও জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ডা. মোমিনুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন পৌর মেয়র, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ীক নেতা, সেনাবাহিনী, র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আজ সোমবার পর্যন্ত জেলায় কোরনায় মোট আক্রান্ত ১০০৯জন। এর মধ্যে সরকারি হিসাবে মারা গেছে ২৯ জন।