দাগনভূঞা ও ছাগলনাইয়া পৌর এলাকা বুধবার দুপুর থেকে লকডাউন

ফেনী

করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ফেনী শহরের তিনটি মহল্লা, দুটো পৌরসভাসহ জেলার বেশ কিছু এলাকাকে ‘রেড জোন’হিসেবে ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।  আগামীকাল বুধবার দুপুর ১২টা থেকে এসব এলাকায় লকডাউন কার্যকর করা হবে।

লকডাউন হতে যাওয়া দুই পৌরসভা হচ্ছে দাগনভূঞা এবং ছাগলনাইয়া। এ দুটি পৌরসভার পুরো এলাকা  এছাড়াও জেলা শহরে ফেনী সদর পৌরসভার অন্তর্গত তিনটি মহল্লা হচ্ছে ডাক্তার পাড়া, রামপুর, শান্তি কোম্পানি রোড। আর শহরের বাইরে দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর, পূর্বচন্দ্রপুর ও ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন আসছে 'রেড জোন'-এর আওতায়।

জেলায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত মানুষের  সংখ্যা  ৩২০ জনের পৌঁছানোর পরিপ্রেক্ষিতে এবং এসব এলাকায় আক্রান্তের সংক্যা বেশি হওয়ায় মঙ্গলবার দুপরে এই সব এলাকাকে 'রেড জোন' ঘোষণা করে প্রশাসন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. গোলাম জাকারিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, প্রশাসনের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত লকডাউন কার্যকর থাকবে। বুধবার দুপুর ১২টার মধ্যে এসব এলাকার মানুষকে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালীন সময় কোনও ব্যক্তি 'রেড জোনে' আর ঢুকতে বা বের হতে পারবেন না।

এছাড়া 'রেড জোন' ঘোষিত এলাকায় কোনও ধরনের যানবাহনও চলাচল করতে পারবে না।

তবে প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের যানবাহনসহ মানবিক সহায়তা, ত্রাণ কার্যক্রম এবং কৃষি উপকরণ ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করতে পারবে বলে জানান তিনি।

সিভিল সার্জন মো. সাজ্জাদ বলেন, জেলায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত মানুষের  সংখ্যা ৩২০ জনে পৌঁছার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দুপুরে এই সব এলাকাকে 'রেড জোন' ঘোষণা করে প্রশাসন।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়ে জেলায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৬৯ জন। সংক্রমিত হিসেবে শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বর্তমানে ১১ জন ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আছেন। অন্যরা স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।