ব্যবসায়ীদের দাবি, সোমবার (২২ জুন) রাতের এ দুর্ঘটনায় বাজারের অন্তত ১৬টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় দুই কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
নিহত নিপুর বাড়ি চৌমুহনী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। রহমত উল্যাহর বাড়ি দরবেশের বাজারে এবং খালেদ আলী বাজারের বাসিন্দা।
চেয়ারম্যানঘাট বাজারের সভাপতি মো. জামশেদ জানান, রাত ১০টায় বাজারের মহিবুল ইসলাম নিপুর তেলের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় বাজারের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। আগুন মুহূর্তে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তেল দোকান, ১০টি মুদি দোকান, কাপড় দোকান, ওষুধের দোকান, মোবাইল ফোনের দোকান, ইলেকট্রনিক ও চা দোকানসহ অন্তত ১৬টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে মহিবুল ইসলাম নিপু ও মো. রহমত উল্যাহ দগ্ধ হয়ে মারা যান এবং খালেদ হাসান দগ্ধ হন। দগ্ধ খালেদ হাসানকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে সকালে তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, আগুনে মালামাল ও নগদ টাকা পুড়ে প্রায় দুই কোটি টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. নূরনবী জানান, খবর পেয়ে সুবর্ণচরের দুটি ও মাইজদী ফায়ার সার্ভিসের দুটিসহ মোট চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।