রবিবার (২৮ জুন) সকালে টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ (টিএমসি) ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে রবিউল মারা যান। হাসপাতালের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আবদুর রহিম জানান, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়নের চন্দ্রপুকুর গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে রবিউল ইসলাম পার্শ্ববর্তী দুপচাঁচিয়া উপজেলায় চাতালের ব্যবসা করতেন। তিনি করোনা উপসর্গে আক্রান্ত হলে গত ১৭ জুন এ হাসপাতাল পিসিআর ল্যাবে নমুনা দেন। পরদিন পাওয়া ফলাফলে তিনি করোনা পজিটিভ হন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে ২১ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার বেলা ১০টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।
এদিকে, জেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে শেখ মীর শহীদ (৬০) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। শনিবার সন্ধ্যার দিকে তিনি মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল আইসোলেশনে মারা যান। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. খায়রুল বাশার মমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আইসোলেশনে সূত্র জানায়, শহরের চকসুত্রাপুর চামড়া গুদাম এলাকার শেখ মীর শহীদ করোনা উপসর্গ নিয়ে শনিবার বিকালে ভর্তি হন। সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তিনি মারা যান। তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বগুড়া শাখার অর্গানাইজার প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে রবিউল ইসলামের মরদেহ প্রস্তুত ও জানাজা করা হয়। বাদ জোহর গ্রামের বাড়ির গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বগুড়া শাখার অর্গানাইজার প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুজনকেই দাফন করা হয়েছে।