কনকনে ঠাণ্ডা আর হিমেল হাওয়ায় কমে গেছে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল। বিশেষ কাজ ছাড়া অনেকেই বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। এদিকে হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী, ছিন্নমূল ও পদ্মা নদীর চরাঞ্চলের মানুষ। ঠাণ্ডাজনিত রোগে ভুগছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। তবে জেলায় এখনও সরকারি-বেসরকারিভাবে শীত বস্ত্র বিতরণ শুরু হয়নি।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, তীব্র কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। শনিবার ও রবিবার পাবনায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
শহরের শান্তিনগরের পৌর হকার্স মার্কেটের পুরাতন বস্ত্র ব্যবসায়ী সাকি জানান, তীব্র শীতের কারণে ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে। ফলে কর্মব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
/এনএস/টিএন/আপ-এনএস/