সন্ধ্যা পর্যন্ত ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড অথবা শিমুলিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ কেউই কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।
এসব তথ্য জানিয়ে শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সাফায়েত আহমেদ বলেন, ‘পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে এখন শুধু পাঁচটি ফেরি চলছে। তবে সকালে আটটি ফেরি চলতে পেরেছিল। ৩ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ আছে। তবে মাত্র পাঁচটি ফেরি চলায় ২ নম্বর ফেরিঘাটও ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ছে না। এখন শুধু ১ ও ৪ নম্বর ফেরিঘাট ব্যবহার করা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, ঈদের ছুটি কাটাতে এরইমধ্যে সাধারণ যাত্রীরা গ্রামের বাড়িতে যাওয়া শুরু করেছেন। বর্তমানে ঘাটে দুইশ' থেকে আড়াইশ' যানবাহন নদী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।