যামিনী বালা জানান, একাত্তরে পাকিস্তানি সেনারা তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিলেও জন্মভূমির ভিটা ছাড়েননি তিনি। নানা প্রতিকূলতা, মানসিক নির্যাতন সহ্য করেও শেষ পর্যন্ত তিন ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে দেশের মাটি কামড়ে বসবাস করে আসছেন। ছোট্টবেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি ছিল অকৃত্রিম ভালোবাসা। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হলে শোকাহত হন তিনি। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর পর প্রতিবছর পূজা অর্চনা করেন। প্রথমদিকে নিজে করলেও পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা এতে যোগ দেন।
চলতি বছর জটিল রোগে ভোগা যামিনী মৃত্যুশয্যায়। মৃত্যুশয্যাতেও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্য বিশেষ প্রার্থনা ও পূজা অর্চনা করেছেন। তিনি নিজে এই পূজা-অর্চনা করতে না পারলেও তার নির্দেশে ছেলে সত্যেন সেন, কমলাকান্ত সেন ও মংলা সেনের ব্যবস্থাপনায় পরিবারের সদস্যরা এবারেও এসব আয়োজন করেছেন।
যামিনী বালা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও ভক্ত। জীবনে একবার দূর থেকে শেখ হাসিনাকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে বলে জানান তিনি। মৃত্যুর আগে তার শেষ ইচ্ছা প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে একবার দেখবেন।
যামিনী বালার ছেলে সত্যেন সেন জানান, আমার মা শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যরকম ভক্ত। তিনি নিজেই বঙ্গবন্ধুর পরিবারের মঙ্গল কামনায় পূজা অর্চনা করতেন। এখন আমরা প্রতিবছর মায়ের নির্দেশনায় এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আসছি।