এ সময় মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সেদিন আমাদের কয়েক শ’ নেতা-কর্মী ও সমর্থক আহত হন। এই হামলার শিকার বহু লোক এখনও শরীরে ক্ষতচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন। হামলায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেও তার শ্রবণেন্দ্রীয় গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’
তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ড শুধু হত্যাকাণ্ড নয়, একটা জাতির আদর্শকে, স্বপ্নকে হত্যা করা। জাতিকে মেধাহীন করা এবং রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করা। যাতে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র থেকে পাকিস্তানি ভাবধারায় ধর্মান্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা যায়। এজন্যই বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর তারা সর্বপ্রথম আঘাত হানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর এবং আওয়ামী লীগের সভানেত্রীসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের উপর। ’
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ উপ-দফতর সম্পাদক বিজয় কুমার বড়ুয়ার সঞ্চালনায় সভায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মির্জা কছির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মফিজুর রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। আর ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় হত্যাকাণ্ড ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতার অংশ। জামায়াত-বিএনপি সরকারের মদতপুষ্ট হায়েনারা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল।’