মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, আশাশুনির ওই রোগী ৮ আগস্ট জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে সামেক হাসপাতালে ভর্তি হন। ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
অপরদিকে, কেশবপুরের ওই রোগী গত ৭ আগস্ট জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ইতোমধ্যে উক্ত মৃত ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়।
এ নিয়ে হাসপাতালে করোনা সন্দেহে বা উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৮২ জনে।