জানা গেছে, আবুল কাশেমের বয়স ৬৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছেন। করোনা পজিটিভ শোনার পর তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।
আবুল কাশেমের ছেলে তারিকুল ইসলাম জানান, তার বাবা শারীরিক অসুস্থতার জন্য গত ২২ আগস্ট মেহেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। ২৩ আগস্ট সকালে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নমুনা দেওয়া হয়। পরদিন ২৪ তারিখে তাকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিউটে নেওয়া হয়। সেখানে ২৫ তারিখ সকালে পুনরায় নমুনা দেওয়া হয়। সেখান থেকে ২৭ আগস্ট সকালে নেগেটিভ রিপোর্ট আসে।
তিনি বলেন, ‘একজন বয়স্ক হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের এমন রিপোর্টে মানসিকভাবে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়াই স্বাভাবিক। একদিনের ব্যবধানে দুটি স্থানে দুরকম রিপোর্ট অস্বস্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। করোনার এই মহামারিতে এটি কাম্য নয়।’
এ বিষয়ে কেউ কেউ বলছেন, এটা ভুল ডায়াগনসিসের ফলে হতে পারে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চিকিৎসক বলেন, এমনটাও হতে পারে যে, কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবে পাঠানোর জন্য ২৩ তারিখে প্রথম মেহেরপুরে নমুনা দেওয়ার অনেক আগে থেকেই তার শরীরের করোনাভাইরাস কমতে কমতে শেষের পথে ছিল। যা ঢাকায় গিয়ে দ্বিতীয়বার নমুনা দেওয়ার সময় শেষ বা নির্মূল হয়ে গিয়েছিল, আর সে কারণেই নেগেটিভ রিপোর্ট আসে।