পটুয়াখালীর বাউফলে আল মুরাদ সবুজ (২৮) নামের এক যুবলীগ নেতাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কনকদিয়া ও মদনপুরা ব্রিজে ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে ৩ হামলাকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মদনপুরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আল মুরাদের কনকদিয়া বাজারের পাশে মদনপুরা এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসা রয়েছে। বেলা ১১টার দিকে ৪টি মোটরসাইকেল নিয়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী এসে মুরাদকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে জোর করে বের করে আনে। এরপর তাকে এলোপাতাড়িভাবে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। এ সময় মুরাদকে বাঁচাতে গিয়ে পাশে থাকা লিটন মাস্টার ও হাসান সর্দারসহ ৫ ব্যক্তি আহত হন।
এ ঘটনার সময় তিন হামলাকারীকে আটক করে গ্রামবাসী। এরা হচ্ছে কনকদিয়া ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মোস্তাকিন (২০), বগা ইউনিয়নের বনাজোড়া গ্রামের সেলিম ঘরামির ছেলে রাজিব হোসেন (১৯) ও বগা গ্রামের আ. লতিফ আকনের ছেলে মোয়াজ্জেম। পরে তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
আহত যুবলীগ নেতা আল মুরাদ সবুজের স্ত্রী পপি আক্তার বলেন, স্থানীয় জাহাঙ্গীর সর্দার (সার্ভেয়ার) ও লতিফ খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে তাদের বিরোধ চলছে। ওই বিরোধের জের ধরে জাহাঙ্গীর সর্দার ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে মুরাদকে হত্যার চেষ্টা চালায়।
তবে জাহাঙ্গীর সর্দার এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।
এ বিষয়ে দলীয় কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে। আটক ৩ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্তে আসল তথ্য বের হয়ে আসবে।