দুই মাস পর সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ শুরু

সুন্দরবনপশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের নদী-খালে মাছ শিকারসহ বনজ সম্পদ আহরণে সব ধরনের পাস-পারমিট বন্ধ থাকলেও শেষ পর্যন্ত মাছ ও কাঁকড়া আহরণের অনুমতি দিয়েছে বন বিভাগ। মাছের প্রজনন মৌসুমের কারণে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে সুন্দরবনে পাস-পারমিট বন্ধ ছিল। অবশেষে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের অনুমতি পাওয়ায় খুশি উপকূলের জেলে-মহাজনরা। তবে আপাতত অন্যান্য বনজ সম্পদ আহরণ করা যাবে না।

সাতক্ষীরা ও আশপাশের উপকূলীয় এলাকার জেলেরা (১ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সকাল থেকে পশ্চিম সুন্দরবনের বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন অফিস থেকে নৌকা ও ট্রলারসহ নির্ধারিত রাজস্ব জমা দিয়ে মাছ-কাঁকড়া আহরণের অনুমতিপত্র (বিএলসি) সংগ্রহ করতে শুরু করেছেন। মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য স্টেশন অফিস থেকে অনুমতি নেওয়া জেলেরা সুন্দরবনের নদী-খালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার ও আহরণ করছেন।

শ্যামনগরের গাবুরার জেলে সাইদুল গাজী জানান, ‘আমরা উপকূলের মানুষ। আমাদের জীবন জীবিকার একমাত্র আয়ের উৎসব সুন্দরবন। গত দুই মাস সুন্দরবনের পাস পারমিট বন্ধ থাকার কারণে আমাদের অভাব-অনটনে দিন কাটাতে হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে আমাদের সুন্দরবনের পাস পারমিট চালু করে দিয়েছে। তাতে আমরা সুন্দরভাবে জীবন-যাপন করতে পারবো।’

পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. সুলতান হোসেন বলেন, মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য জেলেদের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তারা (১ সেপ্টেম্বর) থেকেই সুন্দরবনে মাছ-কাঁকড়া আহরণ করছেন। এসব জেলেরা সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ছাড়া অন্য কোনও ধরনের শিকার করতে পারবেন না। কেউ যদি মাছ-কাঁকড়া আহরণের পাস নিয়ে সুন্দরবনে অন্য কোনও কিছু ধরার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।