এই ঘটনায় মোছা. লিভিয়াজুন (৩৮) ও মেহেরাজুন বৈশাখী (২৪) নামে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দুই কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কায়রুল আলম সুমন বলেন, ‘একটি ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণ এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাওয়া যায়নি। এমনকি সরকারি অনুমতিপত্রও পাওয়া যায়নি। একটি অনুমতিপত্র থাকলেও তার মেয়াদ গত ২০১৫ সালের ৩০ জুন শেষ হয়ে গেছে। এই কারণে এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সিলগালা করে বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি কাগজ ভুয়া মনে হওয়ায় সেগুলো জব্দ করা হয়েছে।’ এর মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে বলে তিনি জানান।
জানা গেছে, অভিযানের পরই পালিয়েছেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক নুর আলম চৌধুরী জয়। তিনি নিজে চিকিৎসকের মতো রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দিতেন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযানের সময় নুর আলম জয়ের দেওয়া চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র জব্দ করা হয়েছে।’
এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার প্রতিনিধি মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. নাদিয়া আলম উপস্থিত ছিলেন।