আহতদের মধ্যে ৯০ ভাগ দগ্ধ হয়েছেন মোজাম্মেল (২২) ও দুলাল (২৫)। ৫০ ভাগ দগ্ধ হয়েছেন নিলয় (২৫) ও রিপন (৩০)। অপর আহত আজাহার (২৬) প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফিরে গেছেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) বাচ্চু মিয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে আহতদের হাসপাতালে আনা হয়েছে।
এসআই বাচ্চু মিয়া ও আহতদের স্বজনরা জানান, শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে ওই কারখানায় তারা দগ্ধ হন। লোহা পোড়ানোর সময় আগুনের আঁচে সীসা, লাভা ও স্ফূলিঙ্গ ছিটকে তাদের শরীরে লাগে। পরে সহকর্মীদের সহায়তায় তাদের প্রথমে টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের কর্তব্যরত দমকল কর্মী মিজানুর রহমান জানান, তাদের এ ঘটনা কেউ অবগত করেনি বা ফোন করে সাহায্যও চায়নি।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদ হোসেন জানান, কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। বাহ্যিক দৃষ্টিতে কারখানার নিরাপত্তার জন্য শ্রমিকদের হেলমেট ও শারীরিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা দেখা গেছে। কিন্তু সেগুলো নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট কিনা তা আমরা বলতে পারছি না। আহতদের পক্ষে কেউ অভিযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা নেবো। তবে অধিকতর নিরাপত্তা রয়েছে কিনা তা দেখার জন্য প্রাথমিকভাবে একটি সাধারণ ডায়েরি করে কারখানায় ফোর্স পাঠানো হয়েছে।