গাজীপুর মহানগরের বরুদায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা এবং পৃথক ঘটনায় কোনাবাড়ী এলাকায় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এই ঘটনা ঘটে। কুপিয়ে হত্যার শিকার শেখ ফরহাদুল ইসলাম রতন (৪৫) গাজীপুর মহানগরের লাঘালিয়া এলাকার শাহবুদ্দিনের ছেলে। আর কোনাবাড়ী এলাকা থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত লাশটি রাজু আহম্মেদ (২২) নামে এক যুবকের। তিনি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বড় করফাকর গ্রামের কাঞ্চন খানের ছেলে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশির আহমেদ জানান, রতন সিটি করপোরেশনের ছায়াবীথি এলাকার কাজী শাহাবুদ্দিনের বাড়ি ও দোকানের কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন। ভোরে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বরুদা এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে যায়। নিহতের হাত-পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন এবং শরীরের বিভিন্নস্থানে পেটানোর চিহ্ন রয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রতন মারা যান। পুলিশ সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
অপরদিকে, গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে রাজু আহম্মেদ (২২) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকালে কোনাবাড়ী থানার এরশারনগর হাউজিংয়ের একটি বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)-এর কোনাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিবর হোসেন জানান, রাজু আহম্মেদ বাবা মায়ের সঙ্গে কোনাবাড়ী থানার এরশারনগর হাউজিংয়ে সুজয় চন্দ্র শীলের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সকালে স্থানীয়রা ভাড়া বাড়ির বারান্দায় গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় রাজু আহাম্মেদের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।