দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন। আদালত আগামী ১৫ অক্টোবর এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন বলে তিনি জানান।
১২ বছর আগে এ মামলায় চার্জশিট জমা দিলেও তদানীন্তন সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির আবেদনে মামলাটি দীর্ঘদিন স্থগিত রেখেছিল আদালত। উচ্চ আদালত ২০১৭ সালে এ স্থগিতাদেশ তুলে নেয়। এরপর অভিযোগ গঠন হতে লেগেছে আরও তিন বছর। জানা গেছে, ২০০৭ সালে চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানায় মামলাটি দায়ের করে দুদক। মামলায় ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ৫৬ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকার তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়।
অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। নিয়ম অনুযায়ী বদির উপস্থিতিতে আদালতে এদিন অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। এ সময় বদি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সুবিচার চান। পরে বিচারক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন। আগামী ১৫ অক্টোবর এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৭ সালে মামলা দায়েরের পর ২০০৮ সালের ২৪ জুন এ মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে বদির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন মামলার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে রেখেছিল আদালত। ২০১৭ সালে উচ্চ আদালত সেই স্থগিতাদেশ তুলে নেয়। এই মামলায় আবদুর রহমান বদি বর্তমানে জামিনে আছেন।