মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মদ বলেন, বিচারক রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে এজাহারভুক্ত আসামি সাজুকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন মামলায় তিন দিন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে তিন দিন করে মোট ছয় দিন এবং মো. সোহাগ ও নূর হোসেন রাসেলের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে রিমান্ড নামঞ্জুর করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোল্লা হাবিবুর রসুল মামুন জানান, আজও আসামিদের পক্ষে কোনও উকিল দাঁড়াননি।
প্রসঙ্গত, ২ সেপ্টেম্বর রাতে বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়নের খালপাড় এলাকায় ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন চালায় দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার, বাদল, কালাম ও আবদুর রহিম। ঘটনার ৩২ দিন পর রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় রবিবার রাতেই দুটি মামলা হয়।
ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, নির্যাতনকারীরা ওই গৃহবধূর পোশাক কেড়ে নিয়ে তার বিরুদ্ধে কিছু একটা বলতে থাকে। তিনি নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেন এবং হামলাকারীদের ‘বাবা’ ডাকেন, তাদের পায়ে ধরেন। কিন্তু, তারা ভিডিও ধারণ বন্ধ করেনি। বরং হামলাকারীদের একজন তার মুখে লাথি মারে ও পা দিয়ে মুখসহ শরীর মাড়িয়ে দেয়। এরপর একটা লাঠি দিয়ে মাঝে মাঝেই আঘাত করতে থাকে। এসময় ঘটনাটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার উল্লাস প্রকাশ করে ‘ফেসবুক’ ‘ফেসবুক’ বলে চেঁচায় আরেকজন।