নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে রংপুর উত্তাল

রংপুরে বঙ্গবন্ধু চত্বরে জেলার সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি। 
নোয়খালীতে গৃহবধূকে নির্যাতন করে ভিডিও ছড়ানো, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৮অক্টোবর) রংপুর শহরে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নগরীর বঙ্গবন্ধু চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন  রংপুরে অবস্থানরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এসময় শিক্ষার্থীরা ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করে আইন প্রণয়ন ও তিন মাসের মধ্যে বিচার শেষ করার দাবি জানান। শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন।

রংপুর উদীচী জেলা সংসদের প্রতিবাদী বিক্ষোভ।

অপরদিকে, রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, ছাত্র ইউনিয়নসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা একই দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে। সমাবেশে সিপিবির উপদেষ্টা প্রবীণ রাজনীতিবিদ কমরেড শাহাদত হোসেন অভিযোগ করেন, সিলেটের এমসি কলেজ, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জসহ দেশে ঘটা সকল ধর্ষণের সঙ্গে সরকারি দলের সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ সরাসরি জড়িত। তারাই নারী ও শিশু ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত। আর এদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতা। ওরা ধর্ষকদের ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করায় দেশব্যাপী ধর্ষণের ঘটনা সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। সরকার যতই গোপন করার চেষ্টা করুক দেশবাসী জেনে গেছে কারা ধর্ষণকারী।

তিনি অবিলম্বে আওয়ামী লীগের ক্যাডার পোষা বন্ধ ও তাদের ক্যাডারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদসহ অন্যান্য নেতারা।

একইদিনে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রংপুর নগরীর গ্রান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৃথক সমাবেশের অংশ নেন দলীয় নেতা-কর্মীরা।