অভিযুক্ত কামরুল পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার পৌর এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের ঘটনা গোপন রাখতে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখায় ও চাপে রাখে কামরুল। এ ঘটনায় ফরিদগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়েরের পর ৭ অক্টোবর গভীর রাতে ফরিদগঞ্জের গৃদকালিন্দিয়া বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলার বিবরণে জানার যায়, দুই বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছিল কামরুল হোসেন। ধর্ষণের ভিডিও সে তার মোবাইলে ধারন করে রাখে। সর্বশেষ গত ২৫ সেপ্টেম্বর ওই মেয়েটি প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তাকে মোটরসাইকেল তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বহু খোঁজখুঁজির পর গত ৭ অক্টোবর পার্শ্ববর্তী রায়পুর পৌর এলাকার খাজুরতলা সেলিম মঞ্জিল থেকে মেয়েটি উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। উদ্ধারের পর মেয়েটি তার পরিবারের সদস্যদের মেয়েটি পুরো ঘটনা জানায়। পরে মেয়েটির মা বাদী হয়ে কামরুলের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার এসআই নুরুল ইসলাম বলেন, ৭ অক্টোবর কামরুল হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতার করা কামরুলকে ৮ অক্টোবর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। সে চাঁদপুরের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদ হোসেন বলেন, কামরুল ১৩ দিন মেয়েটিকে আটকে রাখে। মেয়েটিকে উদ্ধারের পর কামরুলের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের ভিডিও এবং ছবি আছে। সেগুলো তদন্তকারী কর্মকর্তা জব্দ করেছে। এগুলো তিনি সিআইডিতে পাঠিয়ে দেবেন।