আসামিরা হচ্ছে– যশোর সদরের রামনগর ধোপাপাড়া এলাকার বাসশ্রমিক মনিরুল ইসলাম, শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া এলাকার শাহিন হোসেন জনি, সিটি কলেজপাড়ার কৃষ্ণ বিশ্বাস, সুভাষ সিংহ, বারান্দী কাঁঠালতলা বৌবাজার এলাকার রাকিবুল ইসলাম রকিব, বারান্দীপাড়ার কাজী মুকুল এবং বেজপাড়া কবরস্থান রোড এলাকার মঈনুল ইসলাম।
ওসি জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ওই নারী রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে আয়ার কাজ করেন। তার বাড়ি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায়। যশোর থেকে এমকে পরিবহনের দুটি বাস সরাসরি রাজশাহী যায়। ওই নারী এমকে পরিবহনের বাসে করে রাজশাহী থেকে যশোরে যাওয়া-আসা করতেন। যাতায়াতের পথে বাসের হেলপার মনিরের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। মাঝেমধ্যে মনিরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে তার কথাবার্তা হতো। বৃহস্পতিবার রাজশাহী থেকে তিনি যশোরে আসার জন্য মনিরকে ফোন দেন। ওইদিন রাত ১১টার দিকে তিনি বাসে এসে মণিহার প্রেক্ষাগৃহের সামনে নামেন এবং মনিরকে ফোন করেন। মনির ফোন পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই রাতে মনির মেয়েটিকে জানায়, বাঘারপাড়ায় যাওয়ার কোনও বাস পাওয়া যাবে না। তাকে যশোরেই থাকতে হবে। সে সময় মনির তাকে বাসের মধ্যে থাকার প্রস্তাব দেয় এবং পরে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি টের পেয়ে সেখানে থাকা অন্য তিন শ্রমিক ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। সে সময় বাধা দিলে ওই তিন শ্রমিক তাকে মারপিট করে। পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে এবং মনিরসহ সাত জনকে থানায় নিয়ে যায়।
মেয়েটি জানান, তাকে তিন জন ধর্ষণ করেছে।