ধর্ষণের শিকার মেয়ের মা জানান, তিনি খাবার হোটেলে রান্নার কাজ করেন। প্রতিদিন সকালে মেয়েকে ঘরে রেখে কাজে চলে যান। এ সুযোগে গত দুই মাস আগে মেয়েকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। কয়েকদিন ধরে আমার মেয়ে বমিসহ মাথা ঘুরানো ও অসুস্থ হয়ে পড়ে। মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে আমাকে সবকিছু খুলে বলে।
শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুন মিয়া জানান, দুই স্ত্রী থাকার পরেও কয়েক বছর আগে আরও একটি বিয়ে করে তরিকুল। সে তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী (আমান গ্রুপ সংলগ্ন) এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে ট্রেন ও বাসে হকারি করে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে। তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আফছার উদ্দিনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে অভিযুক্ত তরিকুল ইসলামকে আটক করা হয়। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।