মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আদালতের অনুমতি পেলে, শিশুটি এবং ভিকটিমের দাবি করা পিতার (ভাগ্নে) ডিএনএ পরীক্ষা করা জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।
অভিযুক্ত কিশোর সোনাইমুড়ী উপজেলার নদনা ইউনিয়নের কালুয়াই গ্রামের বাসিন্দা ও নবম শ্রেণির ছাত্র। সে নির্যাতনের শিকার নারীর বড় ননদের ছেলে। ওই নারীর আরও একটি সন্তান রয়েছে। তার স্বামী সৌদি আরব প্রবাসী।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদার ভুক্তভোগীর উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, ওই নারী গত ডিসেম্বরে বড় ননদের ভাড়া বাসায় বেড়াতে যান। ওই সময় বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে ননদের ছেলে তাকে ধর্ষণ করে। এতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার ১১ মাস পর এক মাসের এক কন্যাশিশু কোলে নিয়ে বেগমগঞ্জ থানায় এসে তিনি ধর্ষণের কথা জানান ও শিশুর পিতা তার বড় ননদের ছেলে বলে দাবি করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ওই গৃহবধূ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
আরও পড়ুন:
কিশোর ভাগ্নেই সন্তানের বাবা, অভিযোগ মামির