৫ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার ) দুপুরে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আতিকুল ইসলাম এই জমি অবৈধ দখলমুক্ত করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বলেন, গত রবিবার তাদের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তারা নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করেছে আজ সেখানে গিয়ে তার প্রমাণ পেয়েছি। আমরা সেখানে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়ে এসেছি।
এর আগে, গত রবিবার উপজেলার মেঘনাঘাট এলাকায় হাজি সেলিমের দখলে থাকা সিমেন্ট ফ্যাক্টরির দু’পাশে ২.১১ একর, আরেকটায় ১.৮ একর, টোল প্লাজার ডান পাশে ১.২০ একর এই মোট ৪.৩৯ একর, যা প্রায় ১৪ বিঘার সমতুল্য জমি চিহ্নিত করে উপজেলা প্রশাসন। যেখানে ২.১১ একর রয়েছে সেখানে ৩টা স্থাপনা ভাঙলেও বাকি একটা শক্তিশালী হওয়ায় ভেকুতে সমস্যা হয়ে যায়। তাই সেদিনের মতো উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করা হয়। বাকি স্থাপনাগুলো ৩ দিনের মধ্যে উচ্ছেদ করার জন্য নির্দেশনা দিয়ে আসে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, অভিযানের আগে মদিনা গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপক (ল্যান্ড) মহিউদ্দিন আহম্মেদ জানান, ‘আমাদের কারখানার ভেতরে সরকারি সম্পত্তি রয়েছে এ কথা সত্য। সম্পত্তিগুলোর স্থায়ী বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য আমাদের কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজি সেলিম নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছিলেন। আমাদের আবেদনে প্রশাসন কোনও সাড়া না দেওয়ার কারণে আমরা আর সামনে এগিয়ে যেতে পারিনি। প্রশাসন এখনও যদি খাস জমিগুলো আমাদের কোম্পানির নামে বন্দোবস্ত দিতে রাজি হয় তবে আমরা নিয়ম মোতাবেক সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দিয়ে বন্দোবস্ত নিতে রাজি আছি।