দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।
ওই কিশোরীর মা জানান, পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বেতুয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তারা ভাড়া থাকেন। নানা প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়েকে ধর্ষণ করছে হারবাল চিকিৎসক করিম মহাজন। অপরদিকে একা পেয়ে বেলাল হোসেনও তাকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে সে গর্ভবতী হয়ে পড়লে করিম মহাজন কৌশলে গর্ভপাত করায়। ঘটনা জানাজানি হলে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে টাকা দিয়ে মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী পুলিশকে জানায়, করিম মহাজন দীর্ঘ তিন বছর ধরে তাকে ধর্ষণ করছে। বেলাল হোসেনও তিন মাস ধরে তাকে ধর্ষণ করে আসছে।
স্থানীয়রা জানায়, করিম মহাজন উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মোমারিজপুর গ্রামের ইস্রাফিলের ছেলে। বেলাল হোসেন ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের শরীফপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে।