নিহতরা হলেন, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের নাবালক মিয়া (৭২), তার স্ত্রী আয়েশা খাতুন (৬০), ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৫৫) ও নাতনি নাদিয়া-(৫)।
আহতদের মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার নরসিংহপুর গ্রামের প্রাইভেটকার চালক সালমান (২২), কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের খুরশেদ আলম (৬০) ও শিশু জান্নাতের (৪) পরিচয় মিলেছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, দুপুরে কসবা উপজেলার কুটি চৌমুহনী থেকে খুরশেদ মিয়া তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসার পথে কসবা উপজেলার মনকসাইর এলাকায় পৌঁছালে কুমিল্লাগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশা ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নাবালক মিয়া ও তার স্ত্রী আয়েশা খাতুন ও নাতনি নাদিয়ার মৃত্যু হয়।
আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত ফাতেমা বেগম মারা যান। আহত অপর চার জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. এবিএম মুসা চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চলে আসি। নিহতদের লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক পালিয়েছে বলে জানান তিনি।