তিনি মামলার এজাহার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরদরবেশ গ্রামের জহিরুল ইসলাম জিয়া (২১) প্রতিবেশী এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। করোনা মহামারির সময় জহিরুল ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে। পরে জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হলে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। আসামিপক্ষ সেই মামলায় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চে জামিনের আবেদন করলে আদালত ওই তরুণীকে বিয়ের শর্তে জামিনের আদেশ দেন। একই আদেশে বিয়ে আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ফেনী জেলা কারা কর্তৃপক্ষকে।
ফেনী আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট হাফেজ আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এই দুই তরুণ-তরুণীর দিকে তাকিয়ে হয়তো সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিয়ের পরিণতির ওপর নির্ভর করছে ভবিষ্যতে এমন মামলায় জামিন হবে কিনা। আর তা নজরেও রাখবেন উচ্চ আদালত।
অন্যদিকে জহিরুল ইসলাম জিয়ার পিতা সুফিয়ান মেম্বার বলেন, হাইকোর্টের রায়ে আমার পরিবারসহ পুরো গ্রামবাসী খুশি। ধুমধামের সঙ্গে পুত্রবধূকে বরণ করার জন্য আমার পরিবার অধিক আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
সোনাগাজি মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, জহিরুল ওই তরুণীর সঙ্গে প্রথমে প্রেম, পরে ধর্ষণ করে। গত ৩০ জুন এ মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।